একের পর এক নাটকীয়তার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। এই মনে হচ্ছে সব ঠিক, আবার পর মুহুর্তেই সব এলোমেলো। তিন মাস আগেও বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন তামিম ইকবাল। এরপর অবসরে গেলেন, অবসর ভেঙে আবার ক্রিকেটে ফিরলেন, অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন, দলে অনিয়মিত হয়েছেন। সবশেষ নিউজিল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে তার ব্যাটিং দেখেতে পারে ক্রিকেটপ্রেমীরা। বিশ্বকাপ দলে তিনিই ওপেন করবেন এটা যখন প্রায় নিশ্চিত ঠিক তখনই শোনা যাচ্ছে নানারকম গুঞ্জন।
বিশ্বকাপে খেলা নিয়েও শঙ্কায় এই অভিজ্ঞ ওপেনার। চোট কাটিয়ে চলমান নিউজিল্যান্ড সিরিজ দিয়ে আবারও দলে ফিরেছিলেন তামিম। তবে এক ম্যাচ খেলেই আবারও বিশ্রামে গেলেন তিনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বিশ্রাম বললেও, কিছুটা চোট আছে এই ওপেনারের। পুরোপুরি ফিট নন এ কথা তিনি নিজেও স্বীকার করেছেন।
সোমবার রাতে জানা যায়, আসন্ন বিশ্বকাপে ৫ ম্যাচ খেলতে চেয়েছেন তামিম ইকবাল। ধারণা করা হচ্ছে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই এমন কথা জানিয়েছেন এই ওপেনার। তবে তামিমের এমন সিদ্ধান্ত জানানোর পর সোমবার বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন আলোচনা করেছেন শীর্ষ বোর্ড কর্তাদের সঙ্গে। সেই আলোচনায় মেলেনি আলোর দেখা।
বোর্ড সভাপতির সঙ্গে আলোচনায় হয় সাকিব আল হাসান এবং প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের। যে আলোচনা শুরু হয় রাত ১১টা ৫০ মিনিটে। বৈঠক শেষে রাত সাড়ে ১২টায় বের হয়ে যান সাকিব আল হাসান। মূলত তামিম যে পুরো ফিট নন, এটি বিশ্বকাপের দল নির্বাচনের সময়ও নির্বাচকদের বিবেচনায় নিতে বলেছেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত কি তাহলে তামিমকে ছাড়াই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করা হবে নাকি তার অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে তাকে নিয়েই দল গঠন করা হবে। আবারও একটি অনিশ্চিত এবং অস্বস্তিকর সময় পার করছে বিসিবি ও টিম ম্যানেজমেন্ট। শেষ পর্যন্ত তামিম বিশ্বকাপে থাকবেন কিনা তা এখন কেবল সময়ই বলে দেবে।