পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসবগুলো শুধু আনন্দ আয়োজন নয়, বরং এগুলো

পার্বত্য অঞ্চলের উৎসবগুলো শুধু আনন্দ আয়োজনের মাধ্যম নয়, এগুলো সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ৩:৫ সময় , আপডেট সময় : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ৩:৫ সময়

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসবগুলো শুধু আনন্দ আয়োজন নয়, বরং এগুলো ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বুধবার (১৬ এপ্রিল) সকালে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার চিংমরম বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা বা জল উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


মন্ত্রী বলেন, সাংগ্রাই মারমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মিলন ঘটে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ, যেখানে সকল জাতিগোষ্ঠীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে উঠবে। তিনি জানান, এবছর পার্বত্য অঞ্চলের ১১টি জাতিগোষ্ঠী উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তাদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব উদযাপন করেছে। তবে অনেক জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে, যা সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হতে হবে।


মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের এই উৎসবগুলো পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রতীক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই সংস্কৃতির ধারা পৌঁছে দেওয়া জরুরি। চিংমরম বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে আয়োজিত সাংগ্রাই জল উৎসবটি এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়। হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে উৎসবস্থল আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে। পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে মারমা সম্প্রদায়ের তরুণ-তরুণীরা একে অপরকে পানি ছিটিয়ে উৎসব উদযাপন করেন।


উথোয়াই মং মারমার সভাপতিত্বে এবং সানুচিং মারমা ও সাচিং উ মারমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী নাচ-গান পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি তরুণ-তরুণীরা জল খেলায় অংশ নেন। পরে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও সাংগ্রাই শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।


উৎসবে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণীরা বলেন, এটি তাদের প্রাণের উৎসব। পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করতেই তারা এ আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। উল্লেখ্য, ১৫ এপ্রিল মূল জল উৎসব অনুষ্ঠিত হলেও ১৩ এপ্রিল থেকেই বিহার প্রাঙ্গণে বৈশাখী মেলা শুরু হয়। এ সময় বিভিন্ন ব্যবসায়ী তাদের পণ্য নিয়ে মেলায় অংশ নেন। নববর্ষ উপলক্ষে বৌদ্ধ পূজা, বুদ্ধমূর্তিকে স্নান করানো এবং বয়স্কদের স্নান করানোর মতো ধর্মীয় আচারও পালিত হয়।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯