পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)-এর মাঝপথে জাতীয় দলের দায়িত্বে দেশে ফিরলেও শেষ পর্যন্ত ফাইনালের মঞ্চে দারুণ প্রত্যাবর্তন করলেন নাহিদ রানা। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছে পেশোয়ার জালমি। নিউজিল্যান্ড সিরিজের কারণে দেশে ফেরার পর ফাইনালের আগে আবারও তাকে দলে ভেড়ায় জালমি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অনুমতি পেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নেমেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন এই তরুণ পেসার। ৪ ওভার বল করে মাত্র ২২ রান দিয়ে ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন তিনি।
রোববার লাহোরে অনুষ্ঠিত ফাইনালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদ কিংসম্যান ১৮ ওভারে ১২৯ রানেই অলআউট হয়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন সায়েম আয়ুব। এছাড়া মার্নাস লেবুশানে ২০ ও হাসান খান ১২ রান করেন। বল হাতে শুরুতেই আঘাত হানেন নাহিদ রানা। তিনি দ্রুত ফিরিয়ে দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল-কে এবং পরে হুনাইন শাহকে আউট করে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলেন। ১৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পেশোয়ার জালমি। মোহাম্মদ আলি প্রথম ওভারেই ফিরিয়ে দেন মোহাম্মদ হারিস ও বাবর আজম-কে, যেখানে বাবর গোল্ডেন ডাক করেন।
তবে পরবর্তীতে এরন হার্ডি ও আব্দুল সামাদ জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরে জালমি। সামাদ ৪৮ রানে আউট হলেও হার্ডি ৫৬ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। শেষ পর্যন্ত ফারহান ইউসুফ-এর বাউন্ডারিতে ১৫.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে তারা। এই জয়ে শিরোপা ঘরে তোলে পেশোয়ার জালমি, আর ফাইনালে কার্যকর বোলিং করে বড় অবদান রাখেন নাহিদ রানা।