বাংলাদেশে
মাশরুম চাষ ছড়িয়ে দিতে
পারলে দেশে দারিদ্র্য থাকবে
না। মাশরুম খুবই সম্ভাবনাময় এবং
এটি খুবই পুষ্টিকর এবং
অর্থকরী ফসল।
আজ বুধবার রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল-বিএআরসি মিলনায়তনে মাশরুম চাষের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ
বিষয়ক জাতীয় সেমিনারে কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের
প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর
রাজ্জাক বলেছেন এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, মাশরুমে প্রোটিন আছে ২২ ভাগের
মতো। যেখানে চালে শতকরা ৮
ভাগ, গমে প্রায় ১২
ভাগ প্রোটিন রয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের আমলে দারিদ্র্যের হার
শতকরা ৪০ ভাগ থেকে
১৮ ভাগে আর চরম
দারিদ্র্যের হার ১৮ ভাগ
থেকে ৬ ভাগে নেমে
এসেছে। মাশরুমের চাষ ব্যাপক হারে
ছড়িয়ে দিতে পারলে দেশে
কোন দারিদ্র্য থাকবে না। আগামী ৩
থেকে ৫ বছরের মধ্যে
মাশরুম বিদেশে রপ্তানি করতে পারব।
দেশের প্রত্যেক উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাদেরকে ২০০
থেকে ৩০০ মাশরুম উদ্যোক্তা
তৈরির জন্য নির্দেশ দেন
মন্ত্রী।
দেশে বর্তমানে প্রায় ৪০ থেকে ৪১ হাজার মেট্রিক টন মাশরুম প্রতি বছর উৎপাদন হচ্ছে যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ অনেক দেশেই মাশরুম রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। ২০২৩-২৭ পর্যন্ত ৫ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের মোট বাজেট ৯৬ কোটি টাকা।