কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির মধ্যে ভয়াবহ বজ্রপাতে দেশের আটটি জেলায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের অধিকাংশই কৃষক, জেলে ও দিনমজুর, যারা জীবিকার তাগিদে বাইরে ছিলেন। সবচেয়ে বেশি ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে পটুয়াখালী জেলায়। একই এলাকায় বজ্রপাতে অর্ধশতাধিক গরুর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে, যা স্থানীয় কৃষকদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে।
পটুয়াখালীতে সকালে ও দুপুরে পৃথক কয়েকটি ঘটনায় কৃষিকাজ, পশু চড়ানো ও মাঠে কাজ করার সময় একাধিক ব্যক্তি প্রাণ হারান। পাশাপাশি বরগুনা, শরীয়তপুর ও বাগেরহাটসহ উপকূলীয় অঞ্চলেও বজ্রাঘাতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। বরগুনা-এ মাছ ধরতে গিয়ে জেলে ও কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শরীয়তপুর-এ নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে একজন জেলে নিহত হন। অন্যদিকে বাগেরহাট-এ মাঠে গরু আনতে গিয়ে একজন দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া জামালপুর, ময়মনসিংহ ও রংপুর জেলায়ও পৃথক বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কালবৈশাখীর সময় বজ্রপাতের ঝুঁকি বেশি থাকে। এ সময় খোলা মাঠ, নদী ও জলাশয়ে অবস্থান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েকটি জেলায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তবে হঠাৎ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে গ্রামীণ জনপদে শোক ও উদ্বেগ নেমে এসেছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন